আমাদের কর্মসূচী
বীরকন্যা প্রীতিলতা শিশু কানন (বিদ্যালয়)
শিশুদের মাঝে নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে চলমান শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে একটু ব্যতিক্রম ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টির প্রয়াসে এই কর্মসূচী ২০১৮ সালে শুরু হয়। গ্রামীণ শিক্ষা ব্যবস্থায় একটু নুতনত্ব ক্যারিকুলাম যেমন: শিশুদের সাথে খেলাধূলা, চিত্ত বিনোদন ও পরিবেশ স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয় যুক্ত করে শিক্ষা ব্যবস্থা জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান প্রজন্ম সমাজ এবং রাষ্ট্রে যেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে ।
সংগীত-তবলা, নৃত্য, চিত্রাংকন ও নাটক প্রশিক্ষন
প্রত্যেক শিশু কিশোরদের সাংস্কৃতিক মনস্ক ও সাংস্কৃতিক জাগরণ এবং সমাজের ইতিবাচক কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ ও সমাজ বিনির্মানে বিনোদন একটি অংশ হতে পারে । এ ব্যাপারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার প্রয়াসে সংগঠন ২০০৭ সাল থেকে এ কার্যক্রমকে বেগবান করেছে। প্রত্যেক বিভাগে দুইবার ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করে বছর শেষে উত্তীর্ণদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সাথে স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও জাতীয় দিবসে তাদের উপস্থাপনা বিদ্যমান থাকে। নাট্য কার্যক্রমে বিষয় ভিত্তিক নাটক যেমন: পরিবেশ, শিশু শিক্ষা, যৌতুক, বাল্য বিবাহ ও সেনিটেশান বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পাড়া, মহল্লায় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম চলমান।
সেলাই প্রশিক্ষণ
গ্রামীণ নারীদের মধ্যে গৃহীনি, শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত বেকার যুবতী পারিবারিক কাজের পাশাপাশি আয়বর্ধক সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে নিজের এবং পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশীর পরিধেয় পোষাক সেলাই এবং নিপুন হাতের কাজের মাধ্যমে নিজ পরিবারের আর্থিক সাশ্রয় ও স্বচ্ছলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ পেয়ে তত্মধ্যে ৭জন সেলাই মেশিন ক্রয় করে নিজেদের আর্তনির্ভশীল করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বাকীরা বিভিন্ন গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত।
ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার
বর্তমান যুগের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গ্রামীণ জন গোষ্ঠির মধ্যে শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত বেকার যুবতীদের তথ্য প্রযুক্তি কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকার সমস্যা দুরীকরণ এই কর্মসূচীর মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।
প্রীতিলতা লার্নিং এন্ড আউটসোর্সিং সেন্টার
২০১৮ সাল থেকে ডাটাএক্সেঞ্জ এর সহযোগীতায় ৫২জন বেকার যুবক-যুবতী ডাটা এন্ট্রি কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে প্রতিমাসে সর্বনিম্ন ৫০০০/- থেকে ২৫০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এটি একটি চলমান কর্মসূচী। বর্তমান রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থায় তথ্য প্রযুক্তির কোন বিকল্প নাই। এ লক্ষ্যে বেকার যুবক- যুবতী প্রশিক্ষণ শেষে সীমিত সংখ্যক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বর্তমানে আর্তনির্ভশীল ।
বিপ্লবীদের ছবি ও তথ্য সম্বলিত গ্যালারী এবং লাইব্রেরী নির্মান (প্রক্রিয়াধীন)
প্রতিলতা ট্রাস্ট কর্তৃক প্রকাশিত বই ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা ও ‘ক্ষুদিরাম, প্রীতিলতার সব শিক্ষা সনদ সংরক্ষিত ও অন্যান্য বিপ্লবীদের ছবি তথ্য উপাত্ত সংরক্ষিত। বীরকন্য প্রীতলতাসহ বিপ্লবীদের আত্মজীবনী সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তরুণ প্রজন্ম এই মহান বিপ্লবীদের আত্মজীবনী পাঠ করে জীবনমান গঠন এবং দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার প্রত্যয়ে ও দেশ মাতৃকার জন্য নিজের অবদান রাখার প্রয়াস সৃষ্টি করাই মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
জাতীয় দিবস সহ প্রীতিলতা এবং বিপ্লবীদের স্মরণে বার্ষিক ধারাবাহিক অনুষ্ঠানমালা
বীরকন্যা প্রীতিলতার জন্ম ও আত্মাহুতি দিবস স্মরণ এবং জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বরসহ অন্যান্য দিবস সমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতি বছর উদযাপন ও স্মরণ করা হয়। একটা জাতির পরিচিতি তার ইতিহাস ঐতিহ্য যদি তারই ধারবাহিকতার বিচ্যুতি ঘটে বিভ্রান্ত হয় জাতি। তাই বর্তমান এবং আগামী পজন্মের মাঝে জাতি হিসাবে আমাদের গৌরব উজ্জল ইতিহাস জানানো ও লালন করার ক্ষেত্র সৃষ্টির প্রয়াসে এই উদ্যোগ।