আমাদের সম্পর্কে
আমাদের প্রেক্ষাপট
১৯৯১ খ্রীষ্টাব্দে মহীয়সী নারী বীরকন্যা প্রীতিলতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে প্রীতিলতা গবেষক- বীরকন্যা প্রীতিলতা ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পংকজ চক্রবর্তী বীরকন্যা প্রীতিলতার স্মৃতি রক্ষার প্রয়াসে উদ্যোগী হলে ওয়ার্ল্ড ভিশন অব বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগীতায় প্রীতিলতা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরবর্তী ইতিহাস পিপাসুদের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণায় পংকজ চক্রবর্তী নিজ এবং পরিবারের অর্থায়নে বিদ্যালয়ের সম্মুখে ২০০৫ খ্রীষ্টাব্দে বীরকন্যা প্রীতিলতার আবক্ষ ভাস্কৰ্য্য স্থাপিত হয়। এই দিনটি বীরকন্যা প্রীতিলতা ট্রাস্ট গঠনের ঐতিহাসিক মূহুর্ত। বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী সহ অনেক গুণীজনের সান্নিদ্ধে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০০৭ খ্রীষ্টাব্দে পংকজ চক্রবর্তীকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি করে সাত সদস্য বিশিষ্ঠ ট্রাস্টি বোর্ড গঠন এবং বীরকন্যা প্রীতিলতা ট্রাস্ট প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পায়। সময়ের প্রয়োজনে এমেন্ডমেন্ট করে ট্রাস্টি বোর্ড পনেরো জনে রুপান্তর হয়। বর্তমান উপদেষ্ঠা পরিষদ পাঁচ জন এবং আজীবন সদস্য ক্রম বৃদ্ধিমান-। বর্তমান বিদ্যমান রেজিষ্ট্রিকৃত ট্রাস্ট দলিলের বিধি বিধানের আলোকে পরিচালিত বিদ্যালয় ও অন্যান্য কর্মসূচী চলমান । ট্রাস্ট সৃষ্টির প্রয়াসে ১৪ শতক ভূমি দান করছেন প্রয়াত ননী গোপাল চক্রবর্তী। বাকী ১১ শতক ট্রস্টের ক্রয়কৃত সর্বমোট ২৫ শতক ভূমির উপর ২০১৪-১৭ অর্থ বছরে সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ প্রকল্পের অর্থায়নে ছয় তলা বিশিষ্ঠ বীরকন্যা প্রীতিলতা ট্রাস্ট সাংস্কৃতিক ভবন দৃশ্যমান ।
লক্ষ্য উদ্দেশ্য
শৌর্য্য, বীর্য, আত্ম ত্যাগ ও নেতৃত্বের অগ্নি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিপ্লবী মাষ্টারদা সূর্য্য সেন সে সময় তাঁর বিপ্লবী সংগঠনে যাদেরূ অর্ন্তভূক্ত করেছিলেন তাঁরাও সবাই ছিলেন অনিন্দ্য চরিত্র মহিমায় ভাস্বর সর্বত্যাগী মুক্তি সংগ্রামী। তারই ধারাবাহিকতায় মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১। বিভিন্ন প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এই মহান বীরদের আত্ম পরিচয় সকলের মাঝে বিশেষ করে তরুণদের মাঝে তুলে ধরা এবং জীবন মান গঠনে দেশপ্রেম, নিজের বোধ শক্তিকে জাগ্রত করা একই সাথে আত্ম নির্ভরশীলতার লক্ষ্যে নিজকে একজন দক্ষ নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা, সৃজনশীল কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পরিবারের, সমাজের ও রাষ্ট্রের জন্য করণীয় নিজের দায়িত্ববোধ সমম্পর্কে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করার প্রয়াসে বিভিন্ন প্রকল্প সৃষ্টির জন্য এই প্রতিষ্ঠান প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ।
শিশুদের শিক্ষার সুযোগ
সংস্কৃতির বিকাশ